বেকারত্ব সমস্যা সমাধানের উপায়

বেকারত্ব সমস্যা সমাধানের উপায়

বাংলাদেশে এখন বেকার সমস্যায় জর্জারিত হয়ে পড়েছে । তাই  দেশের দারিদ্র্য বিমোচন ও জনগণের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের উদ্দেশ্যে বেকার সমস্যা আশু সমাধান করা একান্ত আবশ্যক । দেশের বর্তমান বেকার সমস্যার নিরসনের লক্ষ্যে নিম্নোক্ত ব্যবস্থানি গ্রহণ করা যেতে পারে  বলা যায়:

বেকারত্ব সমস্যা কি?

বেকারত্ব সমস্যা সমাধানের আগে,  জানা উচিত আসলে বেকারত্ব কি ? তাই আমরা অনেক সময় কাজ থাকা সতেও কাজ করি না, এটা আসলে বেকারত্ব নয় এটা মানতে হবে । কারণ সেটা আমাদের অলসতা বা আমাদের কাজের প্রতি অনিহা। আমাদের এই অলসতার কারণেই আমরা কাজ করি না এই যুগে। অতএব , বেকারত্ব বলতে আমরা সেই অবস্থাকে বুঝি যেখানে একজন মানুষের কাজ করার ইচ্ছা শক্তি ও সামর্থ্য সবই আছে কিন্তু সে তার যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ পাচ্ছে না বা করে না । অর্থাৎ কাজের এ সকলকে  যোগ্যতা থাকাসত্ত্বেও সে তার যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ পাচ্ছে না । সুতরাং ,কিছু ধরনের কাজের জন্ন্য সে নিজেকে নিযুক্ত করতে পারতেছে না । তাই এই অবস্থাকেই মূলত  বেকারত্ব সমস্যা বলে থাকি  ।

বেকারত্ব দূর করার ২ টি উপায়

  1. কৃষি কাজ করে বেকারত্ব দূর করা ।
  2. অনলাইনে কাজ করে বেকারত্ব দূর করা ।

কৃষি কাজ করে বেকারত্ব দূর করবে যেভাবে ?

বেকার সমস্যা সমাধানের উপায়

 

বাংলাদেশের মানুষ অনেকেই বেকারত্ব হয়ে পড়েছে । তাই কোথায় ও কাজ না পেয়ে বা গোরাগুরি না করে উপরের চিত্ত থেকে একটা বেছে নিতে পারেন অথবা আরো অনেক ধরেনের কৃষি কাজ আছে ,সেই গুলো করতে পারেন আপনারা ।

বেকারত্ব দূর করার কিছু নিজের কাজ ?

আপনি নিজে থেকে যুদি কাজ করতে চান তাহলে ভাল । কিন্তু নিজে থেকে কাজ করতে না চাইলে অলসতা । তাই নিজে থেকে কাজ করতে চাইলে কিছু নিয়ম মানলে হইতো নিজের বেকারত্ব দূর করা যাবে । যেমন ঃ ১।সৃষ্টিকর্তার উপর ভরসা,২। সঠিক পরিকল্পনা, ৩।নিজের উপর আত্ববিশ্বাস, ৪। দক্ষতা অর্জন, ৫।কোন কাজকেই ছোট করে দেখা যাবেনা, ৬।প্রচুর ধৈর্যধারন, ৭।কঠোর পরিশ্রম, ৮।নিজেকে সবসময় আপডেট, ৯।সঠিক জায়গা নির্বাচনকরুন, ১০।সঠিক কাজ নির্বাচনকরুন ।

অনলাইনে কাজ করে বেকারত্ব দূর করা যাবে যেভাবে?

বেকার সমস্যা সমাধানের উপায়

বর্তমান বাংলাদেশ এ অনেক বেকারত্ব মানুষ রয়েছে, যা কাজ হিসাবে মানুষ অনেক বেশি বলা যায়। তাই আপনারা যারা ঘরে বসে আছেন, তারা দেরি না করে চোখ কান খুলে একটু বাহিরে বের হন। কারণ, বাহিরে এখন অনেক অনলাইনে এর মাধমে অনেক কাজ শিখে থাকে। তাই আপনি এই কাজ গুলো নিজে থেকেও ইচ্ছা করলে পারবেন। তাই এই কাজগুলো অবহেলা ফেলে দিবেন না। যেমন কথায় আছে, এক বার না পারিলে দেখ শতবার।

জিপি ১০০০ মিনিট অফার

তাই আপনি ইচ্ছা করলে কাজ গুলো করে নিজে থেকে শিখে নিতে পারেন।

অনলাইনে ফ্রিল্যান্সিং করে টাকা আয়

বাংলাদেশের মানুষ ফ্রিল্যান্সিং শব্দটির সাথে কমবেশি সবাই পরিচিত হয়ে থাকবেন। তবে মূলত কোনো প্রতিষ্ঠানে প্রচলিত ধারার চাকুরী না করে অথচ স্বাধীন ব্যক্তি হিসেবে কাজ করার পেশাকে বলা হচ্ছে ফ্রিল্যান্সিং। বর্তমানে অনলাইনে ইনকাম করার সবচেয়ে আলোচিত উপায় হচ্ছে ফ্রিল্যান্সিং করে টাকা আয় । অনলাইনে কিছু কাজ আছে , যেমন ঃফাইভার, আপওয়ার্ক এর মত ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্মগুলো ফ্রিল্যান্সারদের এই যাত্রাকে আরো সহজ করে দিয়েছে ইন্টারনেট জগতে।

বর্তমানে ইন্টারনেট এর মাধ্যমে  ঘরে বসেই পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তের ক্ল্যায়েন্টের কাজ করা সম্ভব হচ্ছে ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্মগুলোর সাথে । এছাড়াও রয়েছে  ফ্রিল্যান্সিং এর ক্ষেত্রে একজন ফ্রিল্যান্সার এর কাজের স্বাধীনতা থাকায় । তারা অনেকেই অনেকের সাথে  এই অনলাইন পেশাকে ফ্রিল্যান্সিং ইনকাম করার পথ মনে করেন ।

জিপি মাসিক মিনিট অফার

বর্তমান এ ফ্রিল্যান্সিং এর মাধ্যমে অনলাইন ইনকাম করার অন্যতম প্রধান সুবিধা বলতে হবে। কারণ সকল দক্ষতাকে কাজে লাগানোর সুযোগ রয়েছে এই ফ্রিল্যান্সিং । কিছু কাজ রয়েছে যেমন ঃ আপনি ভিডিও এডিটিং এর পাশাপাশি গ্রাফিক্স ডিজাইনেও খুব দক্ষ এবং সেক্ষেত্রে ফ্রিল্যান্সিং ওয়েবসাইটে দুই ধরনের কাজ করেই আপনি অনলাইনে ইনকাম করতে পারবেন আপনি ।

অনলাইনে ইউটিউব থেকে আয় করা

বাংলালদেশে এখন অনলাইনে ইনকাম করার আরেকটি অসাধারণ পথ হলো ইউটিউবিং। আয় বা ইনকাম করার পথ হিসাবে ইউটিউব এর কথা হয়ত আপনি ইতিমধ্যেই অনেকবার শুনে ফেলেছেন, কিন্তু অনলাইন ইনকাম এর কথা এলে মনে হয়  ইউটিউবিং করে আয় করা ।

আপনি চাইলে ইউটিউব করে আয়ের সোর্স কিন্তু কনটেন্ট আপলোডের পর থেকেই  আপনি ইনকাম করতে পারবেন, এমন না এটি। ইউটিউব চ্যানেল থেকে আয় করতে চাইলে আগে  চ্যানেল মনেটাইজ হতে হয়। চ্যানেল মনেটাইজ হওয়ার জন্য ১০০০ সাবস্ক্রাইবার ও ৪০০০ঘন্টা ওয়াচ টাইম পূর্ণ হতে হবে  ।

 

এই প্রয়োজনীয় সাবস্ক্রাইবার ও ওয়াচ টাইম পূর্ণ করতে সময় লাগে, তার মানে হলো ইউটিউবিং করে ইনকাম শুরু করতে প্রথমে আপনার বেশ অনেকদিন খাটতে হবে এই ইউটিউব এর পিছুনে । তবে মজার ব্যাপার হলো যে , আপনার চ্যানেলটি  একবার স্পটলাইটে আসলেই খুব সহজেই গুগল এডসেন্স পেয়ে গেলে  এর পাশাপাশি আরো বিভিন্ন আয়ের পথ খুলে যাবে আপনার।

ব্লগিং করে অনলাইনে ইনকাম করা

বাংলাদেশে এখন অনলাইনে ইনকামের আরেকটি উপায় হচ্ছে ব্লগিংকে। ব্লগিং এর মাধ্যমে ঘরে বসেই  আপনি আপনার পছন্দের বিষয়ে কনটেন্ট লিখে আয় করতে পারবেন।

 

ব্লগিং করতে প্রয়োজন পড়বে একটি ওয়েবসাইট ও ল্যাপটপ কম্পিউটার । আপনি চাইলে মোবাইল দিয়ে  ফ্রিতে ওয়েবসাইট খুলেও ব্লগিং শুরু করতে পারেন। আপনি চাইলে  ডোমেইন ও হোস্টিং কিনে নিজের একটি ওয়েবসাইট তৈরী করে নিতে পারেন । সেক্ষেত্রে আপনার ব্লগের সম্পূর্ণ  মালিকানা আপনি হয়ে যাবেন

ব্লগিং করে একাধিক উপায়ে অনলাইনে আয় করা সম্ভব এখন । ১ম ঃ আপনার ব্লগে এড দেখিয়ে আয় করতে পারবেন অথবা গুগল এডসেন্স বা অন্য কোনো এড নেটওয়ার্ক এর সাহায্যে ব্লগে এড যুক্ত করে ব্লগের কনটেন্ট মনেটাইজ করতে পারবেন আপনি । তাছাড়াও রয়েছে  ব্লগের কনটেন্টের মাধ্যমে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর সুযোগ । বোনাস হিসেবে >ঃ ডাটা এন্ট্রি করে আয় করার মাধ্যম।

Leave a Comment